ঘরে বসে প্রতিমাসে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের ১৫টি উপায় ২০২৩

আপনার টাকা ইনকামের স্বপ্নকে এবার বাস্তবে রূপ দিন। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় সমূহ জানতে চান। কিভাবে প্রতি মাসে আপনি দশ হাজার থেকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত শুধুমাত্র হাতের মোবাইল ফোন দিয়ে ইনকাম করবেন তার সমস্ত পদ্ধতি নিয়ে সাজিয়েছি আজকের এই আর্টিকেলটি।

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

আপনি কি চান না! আমার মত প্রতি মাসে ঘরে বসে নিজের হাতের মোবাইল ফোন দিয়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার প্যাসিভ ইনকাম করতে। তাহলে আজকে এই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। মোবাইল থেকে টাকা ইনকাম করার যে পদ্ধতি গুলো আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব সেগুলো  থেকে ১০০% আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। 

আর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অফার হচ্ছে আমরা আমাদের এই আর্টিকেলটি প্রতিনিয়ত আপডেট করতে থাকবো, কেননা অনেক সময় এমন হয় যে অনেক সোর্স থেকে ইনকাম তো হয় কিন্তু উইথড্র দিতে পারেন না, এমনটা যাতে না হয় তাই আমি প্রতিনিয়ত এই আর্টিকেলটি আপডেট করতে থাকবো। 

তাই আপনি যদি প্রতি দিন মোবাইল দিয়ে সর্বনিম্ন হলেও 10 থেকে 20 ডলার ইনকাম করতে চান তাহলে ড্রিম আইটিসিকে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন যাতে পরবর্তী অনলাইন ইনকাম টিপস এবং ট্রিক্সস গুলো সরাসরি ইমেইলের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আপনি পেয়ে যেতে পারেন।

পেজ সূচিপত্রঃ প্রতিমাসে মোবাইল দিয়ে 150$-300$ টাকা ইনকামের ১৫টি উপায়

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার ১৫টি উপায়

  1. ইউটিউব শর্টস্ থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম                 
  2. মোবাইলে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম   
  3. মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম
  4. Airdrop থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  5. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  6. ফেসবুক পণ্য বিক্রি / ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম 
  7. অনলাইনে ছবি বা ভিডিও বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  8. রিসেলিং ব্যবসা করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  9. ইন্সটাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  10. মাইক্রোওয়ার্ক সাইট থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  11. ডেলিভারি সার্ভিস করার মাধ্যমে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  12. Dollarclix survey করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  13. মোবাইলে লুডু খেলে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  14. মোবাইলে কুইজ খেলে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
  15. অনলাইন বেটিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

ইউটিউব শর্টস্ (Shorts) থেকে ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম 2022

অনেকেই কিন্তু ইউটিউবের শর্টস্ (Shorts) ভিডিও অর্থাৎ এক মিনিটের ভিডিও বানিয়ে মোটা অংকের টাকা ইনকাম করছেন। আপনিও যদি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ইউটিউব শর্টস্ (Shorts) ভিডিও আপনার জন্য একটি সহজ মাধ্যম হতে পারে। জি হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন ইউটিউব শর্ট ভিডিও দিয়ে এখন অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকাও ইনকাম করছেন। 

আর আমার এই কথাটা যদি আপনাদের বিশ্বাস না হয়ে থাকে তাহলে আপনি ইউটিউবে সার্চ করলেই এর প্রমাণ পেয়ে যাবেন। আর YouTube শর্টস্ (Shorts) ভিডিও বানানোর জন্য আপনার মোটেও ডেস্কটপ বা পিসি থাকা বাধ্যতামূলক নয় আপনি আপনার হাতের মোবাইল ফোন দিয়েই ইউটিউব শর্ট ভিডিও বানাইতে পারবেন এবং ঘরে বসেই মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 
তাহলে আসুন এবার আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করি যে কিভাবে আপনি YouTube শর্টস্ (Shorts) ভিডিও বানাবেন এবং সেটাকে আপলোড করবেন, সেটাকে মনিটাইজেশন কিভাবে করতে হবে, মনিটাইজেশনের জন্য কি কি রিকোয়েস্টমেন্ট রয়েছে তার সবকিছু মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের সহজ উপায় হতে পারে এই ইউটিউব শর্টস্ (Shorts) ভিডিও।

YouTube shots ভিডিও থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে কি করতে হবে

আপনি যদি ইউটিউব shots ভিডিও থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। ২০২৩ সালে এসে সঠিক নিয়মে প্রফেশনাল ওয়েতে একটি ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে খুলবেন তা জানতে এখানে চাপুন। YouTube চ্যানেল খোলার পর আপনার সর্বপ্রথম কাজ হবে ভিডিও আপলোড করা। ভিডিও আপলোড করা এই প্রক্রিয়াটার মধ্যেই রয়েছে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং একটি বিষয় কারণ এটার ওপর ডিপেন্ড করে আপনার ইনকাম কত হবে তা নির্ভর করবে। 
ইউটিউব shorts দিয়ে মোবাইল থেকে টাকা ইনকাম
মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ মাধ্যম YouTube shorts video লেন্থ হচ্ছে সর্বোচ্চ এক মিনিট। অর্থাৎ আপনি ইউটিউব শর্টস ভিডিও এক মিনিটের বেশি বানাইতে পারবেন না এক মিনিটের বেশি যদি আপনার ভিডিওটি হয়ে যায় তাহলে এটি আর YouTube shorts video বলে গণ্য হবেন। ইউটিউব শর্ট ভিডিও বানানোর আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হচ্ছে ভিডিওর রেশিও। খেয়াল করে দেখবেন আমরা যারা ইউটিউবে ভিডিও বানায় তাদের স্ট্যান্ডার্ড রেশিও হচ্ছে 16:9। কিন্তু আপনি যদি ইউটিউব shorts video বানান তাহলে এই রেশিও হতে হবে 9:16।

কোন বিষয়ে YouTube shots ভিডিও আপলোড করবেন

আপনাদের মাথায় এখন প্রশ্ন আসছে যে, আমি তো ইউটিউব চ্যানেল খুললাম মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করব বলে। কিন্তু আমি কোন বিষয়ের শর্ট ভিডিও তৈরি করব। ধন্যবাদ আপনি একটা খুব টেকনিক্যাল প্রশ্ন মাথায় এনেছেন তার জন্য 🥰। বর্তমান সময়ে ইউটিউব শর্টসের সকল বিষয় কিন্তু ট্রেন্ড চলছে এবং সকল বিষয়েই ভিডিও আপলোড করা যায়। তবুও আমি এখানে আপনাকে কিছু সাজেশন দিতে পারি যেমন টেকনিক্যাল বিষয়, ফানি ভিডিও, অনলাইন আর্নিং বিষয়ে ভিডিও, খাওয়া নিয়ে ভিডিও আরো বিভিন্ন আপনার আশেপাশে যেগুলো হচ্ছে সেগুলো যদি আপনি ভিডিও করে ইউটিউব শর্টসে ব্যবহার করেন তাহলে আপনি অনেক ভিউজ পাবেন বলে আমি আশা করি। 

এখানে একটি জিনিস মাথায় রাখবেন যে আমি উপরে যে সাজেশন গুলো দিলাম এগুলোতেই যে আপনাকে ভিডিও বানাতে হবে তা কিন্তু নয় আপনার মন থেকে যেটা আপনাকে ভালো লাগবে যেটা আপনি পারদর্শী নিজেকে ভাববেন ভিডিও বানানোর চেষ্টা করবেন তাহলে আরো বেশি সফলতা আসবে। 

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন। আরো একটা জিনিস আপনার মাথায় থাকতে হবে আপনি যে ধরনের ভিডিও বানান না কেন আপনাকে সেটা এক মিনিটের মধ্যেই বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে আর আমি গুরুত্ব সহকারে বলবো আপনি চেষ্টা করবেন যাতে ওই এক মিনিটের মধ্যে সেই সম্পূর্ণ জিনিসটাকে গুছিয়ে বোঝানো যায় কেননা আপনি এক মিনিটের ভিডিও বানাচ্ছেন ঠিক আছে কিন্তু আপনি যদি এক মিনিটের মধ্যেই সেই বিষয়টাকে গুছিয়ে বুঝাইতে না পারেন তাহলে মানুষের আর সেই বিষয় ইন্টারেস্ট থাকবে না আর আপনার সেই ভিডিওটি না দেখে সে চলে যাবে তাই না আশা করি এ বিষয়টা মাথায় রাখবেন।

YouTube শর্টসের মনিটাইজেশন পাবার জন্য কি কি শর্ত ফিলাপ করা লাগবে

আপনি যদি ইউটিউব শর্টসের মনিটাইজেশন পেতে চান তাহলে আপনাকে এক বছরের মধ্যে 1000 সাবস্ক্রাইবার লাগবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে ৯০ দিনের মধ্যে আপনার ১০ মিলিয়ন ভিউজ লাগবে। এখানে ঘাবড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই আপনার YouTube shorts ভিডিও গুলোর মধ্যে এক দুইটা ভিডিও যদি ভাইরাল হয়ে যায় তাহলেই ৯০ দিনের মধ্যে আপনার এই ভিউজ টা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এরপরে যে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো লাগে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন ইত্যাদি এগুলো খুব সহজেই করে ফেলতে পারবেন আশা করি বুঝতে পারছেন। 

এক্ষেত্রে অনেকের মাথায় একটি প্রশ্ন আসবে যে আমি কি অন্যের ভিডিওর মিউজিক টা আমার ভিডিওতে এড করতে পারব কিনা। জি হ্যাঁ আপনি অন্যের ভিডিওর মিউজিক আপনার ভিডিওতে এড করতে পারবেন এক্ষেত্রে শুধু আপনার রেভিনিউ ওটা ভাগাভাগি হয়ে যাবে অর্থাৎ অরজিনাল মিউজিকের যে ওনার তিনি একটি অংশ পাবেন এবং আপনি একটি অংশ পাবেন। এছাড়াও আপনি tiktok এ বা ইনস্টাগ্রামে যে Reels শেয়ার করেন সেগুলো কিন্তু আপনি এখানে YouTube শর্টস হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

কিভাবে ইউটিউব শর্টস ভিডিও আপলোড করবেন

এতক্ষণ আমরা অনেক বিষয় জানে আসলাম কিন্তু এবার আপনাদেরকে জানাবো যে আপনারা কিভাবে মোবাইল ফোন দিয়ে ইউটিউব শর্টস ভিডিওটি সঠিকভাবে আপলোড করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় ইউটিউব শর্টস ভিডিও আপলোড করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম YouTube ওপেন করতে হবে এবং নিচে দেখতে পাবেন (+) একটি আইকন আছে ক্লিক করুন এরপর আপনি ক্রিয়েট এ শর্ট ভিডিও অপশন পাবেন সেখানে ক্লিক করুন। 

এখান থেকে আপনি যদি ভিডিও বানাইতে চান তাহলে ক্যামেরা অন করে ভিডিও তৈরি করতে পারেন অথবা আপনার যদি আগে থেকেই ভিডিও তৈরি করা থাকে তাহলে আপনি গ্যালারি আইকনে ক্লিক করে সেখান থেকে ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

এরপর বাকি যেরকম আপনি tiktok এ ভিডিও আপলোড করেন সেই নিয়ম মাফিক আপনি সেখানে টেক্সট অ্যাড করতে পারবেন ইফেক্ট দিতে পারবেন। এরপর যখন আপনার সকল এডিটিং শেষ হয়ে যাবে তারপর আপনি আপলোড বাটনে চেপে দিলেই আপনার এই ইউটিউব শর্ট ভিডিওটি আপলোড হয়ে যাবে।
এইভাবে আপনি প্রতিদিন যখন ইউটিউব shorts ভিডিও আপলোড করতে থাকবেন এবং আপনার মনিটাইজেশনের রিকোয়ারটসমেন্ট গুলো যখন ফুলফিল হয়ে যাবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করবেন এবং আমি আশা করছি যদি সঠিক নিয়মে আপনি কাজটি করতে পারেন তাহলে অবশ্যই google এডসেন্স পেয়ে যাবেন তারপরে আপনি আপনার এই ভিডিও গুলোর মধ্যে গুগলের এড শো করে ঘরে বসেই মোবাইল ফোন দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন একদম লাইফ টাইম যতদিন YouTube shorts video থাকবে।

মোবাইলে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় 

দক্ষ লোকের কখনো অভাব হয় না কথাটা কিন্তু অনেক যুক্তিযুক্ত একটি কথা তাই না। আপনার যদি দক্ষতা থাকে তাহলে আপনাকে কখনো কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আর আমি এখন মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার যেই সোর্স টির কথা বলব সেটাতে আপনার যদি একটু লিখালিখি করার দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ঘরে বসে প্রতি মাসে এক থেকে দুই লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন শুধুমাত্র মোবাইল ফোন দিয়ে। 
ব্লগিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
আর ঘরে বসে মোবাইল ফোন দিয়ে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করার সেই সোর্স বা মাধ্যমটি হচ্ছে ব্লগিং। ব্লগিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ব্লগ ওয়েবসাইট খুলতে হবে। দেখুন বর্তমান সময়ে অনেক CMS রয়েছে যে CMS গুলো ব্যবহার করে আপনি ব্লগ খুলতে পারেন যেমন ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুইটি CMS যেগুলো দিয়ে আপনি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। 

কিভাবে ব্লগ ওয়েবসাইট বানাবো মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে ব্লগ ওয়েবসাইট বানাইতে হবে আর এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ডোমেন এবং হোস্টিংয়ের। আপনি যদি একেবারেই ফিনান্সিয়াল ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে থাকেন আর আপনার কাছে যদি এই ডোমেন হোস্টিং কেনারো টাকা না থাকে তাহলে আপনি একদম সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

আর তা হচ্ছে গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে। আর যার জন্য আপনাকে একটি টাকাও গুগলকে দিতে হবে না আপনি একদম সম্পূর্ণ ফ্রিতে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে google এ ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। কিভাবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে google ব্লগার ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় তা জানতে এখানে চাপুন

ব্লগিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করব মোবাইল দিয়ে

উপরের প্রসেসিং অনুযায়ী আপনি যদি একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট বানাইতে পারেন তারপরে আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে সেখানে ইনফরমেটিভ এবং সুন্দর সুন্দর কিছু কনটেন্ট পাবলিশ করা। সেটি আপনি বাংলাতেও লিখতে পারেন আবার ইংরেজিতেও লিখতে পারেন। কনটেন্ট কি কন্টেন্ট কিভাবে লিখবেন তা যদি জানতে চান তাহলে খুব সহজ মাধ্যম আপনি ইউটিউবে সার্চ করলেই এগুলো পেয়ে যাবেন।

ব্লগিং ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করব কিভাবে এবং টাকা আয় করব কিভাবে

আপনি যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ কনটেন্ট পাবলিশ করতে পারেন এবং আপনার কনটেন্টগুলো যদি ভাল হয় তাহলে আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করতে পারেন এবং আপনি যদি নিয়মমাফিক এবং google এর সকল নিয়ম কানুন বিধিমালা মেনে কন্টেন্ট পাবলিশ করে থাকেন তাহলে আপনি প্রথমবার অ্যাপ্লাই করার পরে গুগল এডসেন্স পেয়ে যাবেন এবং আপনি যখন গুগল এডসেন্স পেয়ে যাবেন আপনার সেই কনটেন্ট গুলোর মধ্যে গুগল এড শো করাবে এবং সেই অ্যাডগুলো যখন মানুষ দেখবে সেটাই ক্লিক করবে সেখান থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় ব্লগিং করে কিভাবে করা যায় আশা করি এই প্রক্রিয়াটি আপনি বুঝতে পেরেছেন। তাও যদি আপনার বুঝতে কোথাও অসুবিধা হয় তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন আমরা আপনাদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি

কখনোই ফাইবার এবং ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেসকে ঘিরে নিজের ক্যারিয়ার চিন্তা করবেন না। কেননা আপনি অনেক ফ্রিল্যান্সার দেখবেন যারা একসময় ফাইবার এবং Upwork এ কাজ করতো কিন্তু এখন তারা নিজেরই একটি কোম্পানি তৈরি করে সেখানে কাজ করছে। আপনাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা google এ গিয়ে সার্চ করেন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার আজকে আমি একটা এমন ট্রিক্স নিয়ে এসেছি এবং সেই ট্রিক্স এর মধ্যে আমি তিনটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব। 

আমার বিশ্বাস আপনারা যদি এই তিনটি বিষয় খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন তাহলে আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ারটাকে একটি সুন্দর জায়গায় পৌঁছে নিতে পারবেন। একটা জিনিস সব সময় মনে রাখবেন যে মোবাইল দিয়ে দুই ৫০০ টাকা বা হাজার দুয়েক টাকা ইনকাম করার অনেক ওয়ে রয়েছে কিন্তু সেগুলো দিয়ে কখনোই ক্যারিয়ার তৈরি হয় না। অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার যে তিনটি বিষয় নিয়ে আমি আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব হতে পারে সে বিষয়গুলোতে যখন আপনি কাজ করবেন প্রথম প্রথম খুব অল্প পরিমাণ টাকা ইনকাম হবে। 
মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম
কিন্তু ট্রাস্টমি আপনি যদি সে কাজগুলোতে লেগে থাকতে পারেন তাহলে একটা সময় গিয়ে আপনার ক্যারিয়ারটা মজবুত হবে এবং সেখান থেকে আপনি চাইলে মাসে লক্ষাধিক টাকাও ইনকাম করতে পারেন। তাহলে চলুন আর দেরি না করে দেখেনি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সেই গোপন তিনটি মাধ্যম কি কি।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার প্রথম উপায়

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার প্রথম যে উপায়টা নিয়ে আমি আলোচনা করব সেটি হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। অবাক হচ্ছেন তো সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের কথা তো অনেকই শুনেছেন কিন্তু এটা আবার মোবাইল দিয়ে কিভাবে করে আর এটাই তো ক্যারিয়ার গড়তে অনেক সময় প্রয়োজন তাই না। একটু ধৈর্য সহকারে আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন আমি আপনাদেরকে সহজ ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি কিভাবে আপনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হয়ে উঠবেন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হয়ে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় তা জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে করতে থাকুন।

আপনি একটু খেয়াল করে দেখবেন যে বিভিন্ন কোম্পানির Facebook এ পেজ আছে ইনস্টাগ্রামে পেজ আছে Linden পেজ আছে। এখানে আপনি একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন যেগুলো বড় কোম্পানি তাদের কিন্তু ফেসবুক পেজে বা ইনস্টাগ্রাম পেইজে অনেক মেসেজ আসে যেগুলো রিপ্লাই দিতে হয় বা কমেন্ট বক্সে দেখবেন অনেকগুলো কমেন্ট আসে কমেন্ট করতে হয় মূলত একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের প্রধান কাজই হচ্ছে এই কমেন্টগুলোর উত্তর দেওয়া। আর এই কাজটি আপনি ঘরে বসে মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারেন তাই না।


বিষয়টি আরেকটু ক্লিয়ার করার জন্য একটি উদাহরণ নেওয়া যাক, একটু খেয়াল করে দেখুন তো আমরা যারা বিকাশ চালায় বা গ্রামীণফোনের সিম ব্যবহার করি আমাদের যখন সমস্যা হয় তখন কিন্তু আমরা তাদের পেজে বা ওয়েবসাইটের মধ্যে ঢুকে মেসেজ করি কিংবা কমেন্ট করি তাই না। কখনো কি ভেবে দেখেছেন এই কমেন্টগুলো বা মেসেজগুলোর উত্তর কারা দেয় আসলে কি সেই কোম্পানিগুলো বেতন দিয়ে বসিয়ে রেখে কাজ করাচ্ছে। মোটেও কিন্তু না তারা আপনার আমার মত এরকমই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার ফ্রিল্যান্সার হায়ার করছে যারা আমাদের কমেন্ট এবং মেসেজগুলোর উত্তর দেয়। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন আজই শুরু করুন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার এবং ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করুন।

আপনি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার থেকে নিজের ক্যারিয়ারকে আরও গ্রআপ করতে পারেন। কিভাবে করবেন তাই না ধরেন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে গ্রামীণফোনে জব করছেন একটা সময় তো ইনকাম হবে তাইনা। এই ইনকামের টাকা দিয়ে আপনি একটি ল্যাপটপ কিনে ফেলুন এবং গ্রাফিক্সের কিছু কাজ শিখুন। কেন আমি গ্রাফিক্সের কাজ শিখতে বলছি কেননা আপনি একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন এই কোম্পানিগুলো অনেক সময় অ্যাড দিয়ে থাকে এবং ব্যানার দিয়ে থাকে তাদের অফার গুলো প্রমোট করার জন্য। 

আর এই ব্যানার বা পোস্টারগুলো কিন্তু আপনার আমার মত ফ্রিল্যান্সার যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন করে তারাই করে থাকে। তাই আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের পাশাপাশি গ্রাফিক্সের কাজও একটু একটু পারেন তাহলে আপনি সেই কোম্পানিতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার থেকে পদোন্নতি পেয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে সেই কোম্পানিতে স্থায়ী চাকরি পেতে পারেন। মনে রাখবেন এখানে কিন্তু আপনার কোন ডিমোশন হবে না বরং প্রোমোশনই হবে। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ আশাকরি এই কনসেপ্টটা আপনার ক্লিয়ার হয়েছে।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার দ্বিতীয় পদ্ধতি

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার গোপন যে দ্বিতীয় পদ্ধতি সেটি হচ্ছে কল সেন্টারে কাজ করা। জি হ্যাঁ বর্তমান সময়ে কল সেন্টারে কাজ করার ডিমান্ড দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। আমরা তো অনেক কথা বলতে পারি তাই না মেসেঞ্জারে বন্ধুবান্ধবদের সাথে আর যদি সেটা গার্লফ্রেন্ড হয় কথা আর তো শেষই থাকে না। কিন্তু এই কথাগুলো অপচয় না করে আমরা তো এই কথাগুলো দিয়েও আমাদের ক্যারিয়ার করতে পারি তাই না। মজার তাইনা যখন আমরা ফোন দিয়ে আমাদের ফোনে যখন ব্যালেন্স থাকে না তখন কি সুন্দর একটা আপু আমাদেরকে বলে দুঃখিত আপনার ফোনে ব্যালেন্স নাই। 

এই আপুটার কাজ কিন্তু কল সেন্টারে বসে থেকে সেই আপুটা করছে। তাহলে আপনি কেন পারবেন না আপনার মধ্যে যদি কথা বলার দক্ষতা থাকে আপনার মধ্যে যদি কথা বলার এবিলিটি থাকে তাহলে আপনিও কল সেন্টারে কাজ করার মাধ্যমে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন যদি সেটা বাংলাদেশের কোনো কল সেন্টার হয়।

একটা সময় ছিল যখন কল সেন্টারে মালিকগুলো একাই তাদের কল সেন্টার হ্যান্ডেল করত কিন্তু এখন তারা আর এটি করছে না তারা অনেক ফ্রিল্যান্সার হায়ার করছে যাদেরকে দিয়ে এই কাজটি করিয়ে নিচ্ছে। দেখুন কল সেন্টারে কাজ করা প্রথমত আপনার জন্য অনেক কঠিন হতে পারে কিন্তু আপনি যদি এই কাজে পারদর্শী হয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনার ক্যারিয়ারটা কিন্তু একদম শক্ত পজিশনে চলে যাবে এবং আপনি সেখান থেকে খুব ভালো প্রফিট জেনারেট করতে পারবেন। 

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায় কল সেন্টারে কাজ করে আপনি যখন দক্ষ হয়ে উঠবেন তখন আপনি নিজে কিছু ফ্রিল্যান্সার হায়ার করতে পারবেন যেটাকে আউটসোর্সিং বলে তখন আপনার একটা টিম হয়ে যাবে। আর আপনার যখন এরকম একটা পারদর্শী টিম থাকবে তখন দেখবেন অনেক বড় কোম্পানি এসে আপনাকে হায়ার করবে যে তোমার তো একটা টিম আছে তুমি চাইলে সেই টিমটা নিয়ে আমাদের কোম্পানির জন্য কাজ করতে পারো তাহলে আমাকে আর এক দুই জন করে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করার প্রয়োজন পড়বেনা।

মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার তৃতীয় পদ্ধতি

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার থার্ড যে পদ্ধতি সেটি হচ্ছে রিডিং এবং রাইটিং। এখন প্রশ্ন রিডিং এবং রাইটিং করে কিভাবে আবার টাকা ইনকাম করা যায়, আমি মূলত কনটেন্ট রাইটিং এর কথাই বলছি। এ কনটেন্ট রাইটিং এর একটি সেকশন নিয়ে আমরা দ্বিতীয় সেকশনে আলোচনা করেছি ব্লগিং করে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় সেখানে এই একই জিনিস কিন্তু এটা একটু ভিন্ন করা লাগবে তাই আবার আমি এখানে মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং দিয়ে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন সেই সেকশনের মধ্যে ইমপ্লিমেন্ট করে দিলাম। 
খুব বেশি বই পড়বেন আপনি যখন বই পড়তে থাকবেন আপনার মধ্যে একটি ধৈর্য চলে আসবে এবং আপনার এক সময় লেখালেখির দক্ষতা বাড়বে। এই লেখালেখি দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে আপনি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। দেখুন অনেক বড় বড় কোম্পানি রয়েছে যাদের প্রোডাক্টগুলো তারা প্রমোট করার সময় ব্যানার দেয় কিন্তু উপর একটু খেয়াল করে দেখবেন কিছু টেক্সট লিখে এই লেখাগুলোকে কন্টেন্ট বলে আর এই লেখাগুলো খুব ইনফরমেটিভ এবং ক্যাচিং হতে হয় যাতে মানুষজন পড়ার সাথে সাথে সেটাতে ক্লিক করে প্রবেশ করতে পারে। আর এই কাজটা একজন দক্ষ কন্টেন্ট রাইটার ছাড়া আর কেউ করতে পারে না। 

আপনি যদি নিজের ক্যারিয়ার টাকে গড়ে নিতে চান তাহলে রিডিং এবং রাইটিং এই কাজটি শিখে নিজের ক্যারিয়ার বিল্ড করতে পারেন। বর্তমানে কনটেন্ট রাইটিং এর হিউজ চাহিদা রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট বলেন আর লোকাল মার্কেট বলেন এখন বাংলাদেশের অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করছে এবং কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ দিচ্ছে এবং খুব ভালো পরিমাণ একটি সেলারি প্রোভাইড করছে।

টাকা ইনকাম করা কিন্তু সহজ বিষয় না আপনি যদি মনে করেন যে রাতারাতি টাকা ইনকাম করব সেটা কিন্তু কখনো সম্ভব হবে না আপনাকে সেখানে শ্রম দিতে হবে তবেই আপনি সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আশা করি উপরের এই তিনটি বিষয় পড়ার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পেরেছেন ফ্রিল্যান্সিং করে মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন আর এই তিনটি concept খুব ভালোভাবে যদি আরও বুঝতে চান তাহলে নিচের বাটনে ক্লিক করে ভিডিওটি দেখতে পারেন যেখানে বিস্তারিত এই তিনটি কনসেপ্ট নিয়ে বলা হয়েছে।

Airdrop থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম app

ফ্রিল্যান্সিং জগৎটা আপনার আমার কল্পনার চাইতেও আরো অনেক বড়। শুধুমাত্র ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন ছাড়াও আরো অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের ক্যারিয়ার সাজানো যেতে পারে। এছাড়াও আমরা সবাই জানি যে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং কাজ কম্পিউটার দিয়ে করতে হয় কিন্তু কম্পিউটার ছাড়াও মোবাইল ফোন দিয়ে এখন ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে ১০০ থেকে ২০০ ডলার ইনকাম করা ব্যাপারই না। 

এই কথাটা পড়ে আবার এটা ভেবেন না যে আমি আপনাকে গেম খেলে টাকা ইনকাম করতে বলবো বা অ্যাড দেখে টাকা ইনকাম করতে করুন এগুলো দিয়ে কখনোই ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব না। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়ে আজকে এই সেকশনে আমি যে কাজটির কথা বলব এটা একটা প্রফেশনাল কাজ যেটা আপনি লাইফ টাইম করতে পারবেন। আর সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে যে এই কাজটা পৃথিবী ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে। আর আরো ইন্টারেস্টিং বিষয়েই হচ্ছে এই কাজটা শুধুমাত্র মোবাইল দিয়েই সম্ভব এমনটা না যে কম্পিউটার দিয়ে করা যাবে না কিন্তু মোবাইল দিয়ে সবচেয়ে বেশি সহজে আপনি এই কাজটা করতে পারবেন। 
Airdrop থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
তো আপনি সারাদিন মোবাইল চাপেন বা যে কাজই করেন না কেন আপনাকে শুধুমাত্র সারাদিনের মধ্যে দৈনিক এক ঘন্টা করে সময় দিতে হবে এভাবে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে অর্থাৎ মাসে ৩০ ঘন্টা কাজ করলেই এনাফ। এখানে আমি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার যে মাধ্যমটির কথা বলছি সেটি হচ্ছে Airdrop। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় Airdrop এর মত আর হতেই পারে না। এখানে আপনাকে চার আনা পয়সা খরচ করতে হবে না। শুধুমাত্র দৈনিক 1 ঘন্টা করে সময় দিলেই হবে। আসুন এই Airdrop নিয়ে কিছু বিষয় সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক।

Airdrop থেকে মাসে কত ডলার ইনকাম করা যায়

Airdrop থেকে কত টাকা ইনকাম করা যায় এই প্রশ্ন যদি উত্তর জানতে চান তাহলে আমি বলব এই Airdrop যদি আপনি প্রতি মাসে যতপ্রযুক্ত সময় দিয়ে কাজ করতে পারেন তাহলে প্রতি মাসে আপনি ১০০ থেকে ২০০ ডলার সর্বনিম্ন কামাবেন সর্বোচ্চ আপনি 5 থেকে 6 ডলার ইনকাম করতে পারেন।

Airdrop আমাদের কি কাজ করতে হয়

Airdrop এর ক্ষেত্রে সেকেন্ড যে প্রশ্নটি সবাই করে থাকে সেটা হচ্ছে এয়ার Airdrop আমাদের কাজ কি করতে হবে। কাজটা করা একদমই সিম্পল আপনারা চাইলে সবাই এই কাজটি করতে পারেন। কাজটি হচ্ছে টুইটারে ফলো করা, ইউটিউবে লাইক করা, ফেসবুক কমেন্ট করা, মিডিয়াম পোস্ট শেয়ার করা এ ধরনের কাজ। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি Airdrop আমাদের কি কাজ করতে হবে আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

Airdrop কাজ করতে কি কি লাগে

  • Smart Phone (Minimum 3GB RAM)
  • Gmail
  • Telegram
  • Twitter
  • Facebook
  • Instagram
  • Medium
  • Discord
  • Reddit
  • Linding

Airdrop কি? Airdrop কেন আমাদের এত টাকা দেয়! তাদের কি লাভ 🤔

এখানে প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে Airdrop কি? Airdrop হচ্ছে মূলত কিটোকারেন্সি যখন কোন নতুন ওয়ালেট মার্কেটে আসে তখন এই Airdrop মাধ্যমে সেটার মার্কেটিং করা বা প্রচার-প্রচারণা করা।

সহজ ভাবে বুঝাইতে গেলে বাজারে যখন একটা নতুন প্রোডাক্ট আসে ধরুন সাবান বা কোন রূপচর্চার প্রোডাক্ট তখন সেগুলো আমরা কি টিভিতে এড দেখে youtube এ এড দেখি বা বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে সেগুলো আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। 

ঠিক কিটোকারেন্সি জগতে যখন একটি নতুন ওয়ালেট বের হয় সেটি Airdrop মাধ্যমে এইভাবেই মার্কেটিং করে অন্যান্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এই কিটোকারেন্সির এক একটি ওয়ালেটের মূল্য ৭০ থেকে ৮০ ডলার পর্যন্ত উঠে থাকে তাহলে বুঝতেই পারছেন যে কত টাকা এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

Airdrop থেকে টাকা কোথায় পেমেন্ট পাব

  • Trust Wallet
  • Huobi Wallet
  • Solana Wallet
  • Token Pocket
  • Phemex
  • BitMart 
মোবাইল থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় Airdrop সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে এখানে চেপে  দেখে নিতে পারেন ভিডিওটি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ জানার জন্য আপনারা অনেক কৌতূহল হয়ে রয়েছেন তাই না এখন আমি আপনাদের সঙ্গে যে মাধ্যমটি শেয়ার করব সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রফিটেবল এবং সহজ মাধ্যম যেটা দিয়ে আপনি আপনার হাতের স্মার্টফোন ব্যবহার করে ঘরে বসে অনায়াসে মোবাইল ফোন দিয়ে মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ইনকাম করে ফেলতে পারেন। অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সেই মাধ্যমটি হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে মোবাইল দিয়ে  টাকা ইনকাম

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত কোন প্রোডাক্টের প্রমোশন করা অর্থাৎ আপনার কাছে এসে কেউ বলল যে আমার একটি দোকান রয়েছে এই দোকানে কিছু জিনিস যেমন ধরুন একটি বই এই বইটির দাম হচ্ছে ৫০০ টাকা। সে দোকানদার আপনাকে বলল যে আমার এই ৫০০ টাকা দামের বইটি তুমি যদি বিক্রি করে দিতে পারো তাহলে আমি এই ৫০০ টাকার মধ্য থেকে তোমাকে ১০০ টাকা দেব তাহলে আমার এই প্রোডাক্টটিও বিক্রি হবে তুমিও কিছু কমিশন পাবে আর আমারও প্রফিট হবে মূলত এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

কোথায় এবং কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করব

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য বিভিন্ন রিসোর্স রয়েছে আমাদের সবচেয়ে পরিচিত রিসার্চটি সেটি হচ্ছে দারাজ, আজকেরদিল ডট কম, টেন মিনিট স্কুল ইত্যাদি এসব বড় বড় কোম্পানির প্রোডাক্টগুলো আপনারা বিক্রি করে  অ্যাফিলিয়েট প্রফিট জেনারেট করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কি কি প্রয়োজন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার একটি স্মার্ট ফোন লাগবে এবং একটি ফেসবুক পেজ বা একটি ওয়েবসাইট বা একটি ইউটিউব চ্যানেল আপনি যেটাতে মার্কেটিং করতে পারবেন এরকম একটা রিসোর্স হলেই হবে। যে কোম্পানির জন্য আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন সেই কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন হোন এবং সেখান থেকে তারা আপনাকে একটি অ্যাফিলিয়েট লিংক প্রোভাইড করবে যেই লিংকটা আপনাকে আপনার ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব যদি চালান তাহলে ইউটিউবে ভিডিও আকারে বা ব্লগ যদি লিখেন তাহলে ব্লগে কনটেন্ট আকারে লিখে সেগুলো প্রমোট করতে হবে। 
এবং যখন মানুষজন আপনার প্রমোট করার লিংকে ক্লিক করে কোন জিনিস কিনবে তখন সেটা অ্যাফিলিয়েট হিসেবে গণ্য হবে এবং সেখান থেকে আপনি কিছু কমিশন পাবেন। আশা করি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে মোবাইল দিয়ে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা কিভাবে ইনকাম করবেন তা বুঝতে পেরেছেন। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে এ বিষয়টা কিন্তু দিন দিন আরও ডেভলপ হচ্ছে তাই আপনি চাইলে এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে শিখে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

ফেসবুক পণ্য বিক্রি / ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম। অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

কিভাবে ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করা যায় এবং মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় তা জানতে চান। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট app আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আপনি এখন ফেসবুকের মাধ্যমে যে কোন পণ্য বিক্রি করে লাখপতি হতে পারেন।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম

কিভাবে ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করা যায়

এজন্য প্রথমে আপনাকে ফেসবুক ওপেন করতে হবে এবং উপরের থ্রি ডট বাটনে ক্লিক করলে দেখবেন একটি অপশন আসছে মার্কেটপ্লেস নামে এই মার্কেটপ্লেসে ক্লিক করলে আপনি দেখতে পারবেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট এখানে সেল করার জন্য তারা এড করে রেখেছে। এখন এখান থেকে আপনিও আপনার নিজের প্রোডাক্টটি সেল করার জন্য সেল অপশনে ক্লিক করে আপনার প্রোডাক্ট এর ছ,বি আপনার প্রোডাক্ট এর নাম, আপনার প্রোডাক্টের ইনফরমেশনগুলো দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করলে এখানে আপনার প্রোডাক্টটি অ্যাড হয়ে যাবে। 

তারপর আপনার প্রোডাক্টটি যদি কোন ব্যক্তির ভালো লাগে তাহলে আপনাকে আপনার প্রোডাক্টের ডেসক্রিপশনে দিয়ে রাখা কন্টাক্ট নাম্বার থেকে যোগাযোগ করবে এবং সেটি কিনে নিবে এবং প্রোডাক্টটি কিভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করবেন তার বিস্তারিত জানতে এখানে চাপুন

ফেসবুক পেজ খুলে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন

ওপরের প্রক্রিয়ার ন্যায় ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপনি যদি কোন পণ্য বিক্রি করতে চান তাহলে বেশি লাভবান হবেন। প্রথমত আপনি যখন একটা প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ খুলবেন তখন আপনার সেই প্রোডাক্টের রিচ কম আসবে কিন্তু এই প্রোডাক্টটা যখন আপনি বুস্ট করবেন তখন কাঙ্ক্ষিত মানুষজনের সামনে এই প্রোডাক্টটি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শো করানো হবে। 

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে যখন আপনি সেই প্রোডাক্টটি বুস্ট করবেন তখন অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রোডাক্টটি অনেক মানুষ কিনবে এবং আপনার এখান থেকে ভালো মানের প্রফিট জেনারেট হবে।

কিভাবে ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে মাসে তিন থেকে চার লাখ টাকা ইনকাম করা যায়

জি হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে এখন মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে এমন অনেক মানুষ বাংলাদেশেই রয়েছে। আপনি একটু গুগলে এবং youtube এ সার্চ করলে এমন অসংখ্য ভিডিও পেয়ে যাবেন যে ভিডিও গুলো দেখার মাধ্যমে আপনি এই কাজে পারদর্শী হয়ে যাবেন এবং আপনিও মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন হাতে থাকা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। 

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করার জন্য আপনাকে ভিডিও কালেক্ট করতে হবে এজন্য অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনি ফ্রিতে ভিডিও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন এবং সেই ভিডিওগুলো বিভিন্ন এডিটিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এডিট করে সঠিক নিয়মে আপনার পেজে আপলোড করে মনিটাইজেশন করার মাধ্যমে আপনি এখান থেকে অনেক রেভিনিউ জেনারেট করতে পারেন।

আমরা যখন ফেসবুক স্ক্রল করি তখন অনেক মুভি ক্লিপ আসে, ফানি ভিডিও আসে, রান্নার ভিডিও আসে, তাই না এই ভিডিওগুলোর কথায় আমি বলছি আপনাকে। এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে মানুষ এখন লাখপতি হয়ে যাচ্ছে তাহলে আপনি কেন হতে পারবেন না ফেসবুক থেকে টাকা ইনকামের সহজ উপায় হচ্ছে এটি আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

অনলাইনে ছবি বা ভিডিও বিক্রি করে। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

মোবাইল দিয়ে ভালো কিছু ছবি তোলার চেষ্টা করছিলাম কেন জানেন কেননা শুনেছি এখন নাকি মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে অনলাইনে বিক্রি করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। জি আসলে এখন মোবাইলে ছবি তুলে অনলাইনে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করা যায়। বেশ কিছুদিন ধরে আমি অনলাইনে ঘাঁটাঘাটি করে দেখছি যে Shutterstock ছবি বিক্রি করে মানুষ প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করছে। 
অনলাইনে ছবি বা ভিডিও বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
তো সেই তথ্যগুলো ঘাটাঘাটি করে বা সেই ধরনের ভিডিও গুলো দেখার পর আপনার মত আমার মাথাতেও প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে যে Shutterstock ছবি বিক্রি কিভাবে হয়? সেই ছবি থেকে আমাদের কিভাবে ইনকাম হবে। তাহলে আসুন জেনে নিই কিভাবে আপনি Shutterstock এর মাধ্যমে ছবি বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন।

অনলাইনে ছবি বিক্রি করার জন্য আপনাকে তিনটি জিনিস খুব ভালোভাবে মাথায় রাখতে হবে। যেমনঃ 
  • ফটোগ্রাফি সম্পর্কে বেসিক আইডিয়া থাকতে হবে
  • সম্পূর্ণরূপে একাউন্ট খুলতে হবে এবং একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে
  • যেই মার্কেটপ্লেসে আপনি ছবি বিক্রি করবেন তাদের পলিসি জানতে হবে এবং সঠিক নিয়মে ছবি আপলোড করতে হবে।
উপরে বাটনে দেওয়া ভিডিওটি দেখার মাধ্যমে আপনি যখন একাউন্ট খুলবেন সেখানে ছবি আপলোড করার পর সেখান থেকে আপনার ছবিগুলো বিক্রি হওয়ার পর আপনি সেখান থেকে প্রতি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন মোবাইল ফোন দিয়ে। এছাড়াও এই Shutterstock ওয়েবসাইট ছাড়াও আরো অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে যে ওয়েবসাইট গুলোতে আপনি ছবি বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন নিচে সেগুলোর কয়েকটা দেয়া হলোঃ 

রিসেলিং ব্যবসা করে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম 2023

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা হিসেবে গণ্য হচ্ছে রিসেলিং ব্যবসা। রিসেলিং ব্যবসায় আপনার কোন টাকা ইনভেস্ট করার প্রয়োজন নেই। এবং আপনার কোন স্টোর করে রাখার প্রয়োজন নেই আপনি ঘরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এই রিসেলিং ব্যবসা করতে পারবেন।
রিসেলিং ব্যবসা করে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়
কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় রিসেলিং করে। এখানে একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে আপনাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করছি ধরুন আপনি এক ডজন খাতা নিলেন ৮০ টাকা দিয়ে এবং এই এক ডজন খাতা আপনি ৯৫ টাকায় বিক্রি করে দিলেন তাহলে আপনার লাভ কত হলো ১৫ টাকা এই যে আপনি এক জায়গা থেকে ৮০ টাকা দরে খাতা কিনলেন এবং ৯৫ টাকায় বিক্রি করে যে লাভটা পেলেন এটাই হচ্ছে মূলত রিসেলিং ব্যবসা।

রিসেলিং কি এবং কেন করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত জানুন আমাদের এই পোস্টটি থেকে। রিসেলিং ব্যবসা করে আপনি শুধু যে দেশীয় প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন এমন কিন্তু না আপনার বাইরের দেশেও প্রোডাক্ট আপনি বিক্রি করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ এর সহজ উপায় এর তালিকায় আপনি রিসেলিং ব্যবসাকে রাখতে পারেন। 

রিসেলিং ব্যবসা করার জন্য মূলত আপনার একটি ফেসবুক পেজ থাকলেই হবে অথবা আপনি ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন মিনিমাম ১৫ থেকে ১৬ টি প্রোডাক্ট এড করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি ব্লগ সাইট খুলতে পারেন বা ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন বা ইনস্টাগ্রামে এই রিসেলিং প্রোডাক্টগুলো বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন নিশ্চিন্তে।

ইন্সটাগ্রাম থেকে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় । মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

তো বন্ধুরা প্রেজেন্ট টাইমে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় এটি আমরা সকলেই জানি। প্রথম দুটি মাধ্যম অর্থাৎ youtube থেকে এবং ফেসবুক থেকে মোবাইল ফোন দিয়ে কিভাবে টাকা আয় করবেন তা নিয়ে আমরা বিস্তারে আলোচনা করেছি। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন। 
ইন্সটাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম
মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে কিভাবে টাকা আয় করা যায় তা নিয়ে আমরা এবার আলোচনা করব। মূলত বর্তমান সময়ে ইনস্টাগ্রাম থেকে তিনটি উপায় সবচেয়ে বেশি ইনকাম করা যায় সে তিনটি উপায় হচ্ছেঃ
  1. Paid partnership
  2. Short fund
  3. Monetization
তাহলে আসুন সংক্ষেপে জেনে নিই যে এই তিনটি মাধ্যম দিয়ে আপনি কিভাবে ইনস্টাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজে

Paid partnership ইন্সটাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম পদ্ধতি ০১

Paid partnership মূলত হচ্ছে স্পন্সর করাকে বোঝায়। এটার জন্য আপনার Instagram প্রোফাইলে ভালো মানের ফলোয়ার থাকতে হবে এবং আপনার যখন একটি স্ট্যান্ডার্ড ফলোয়ার হয়ে যাবে তখন বিভিন্ন কোম্পানি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং তারা তাদের প্রোডাক্টকে স্পন্সর করার জন্য আপনাকে বলবে। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট app Instagram এর মাধ্যমে আপনি স্পন্সর করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

Short fund ইন্সটাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম পদ্ধতি ০২

ইনস্টাগ্রাম এ টাকা ইনকাম করার দ্বিতীয় মাধ্যম হচ্ছে Short fund।  শর্টফান্ড মূলত Reels ভিডিওকে বোঝাচ্ছে আপনার ভিডিওতে যদি ভালো মানের ভিউজ পড়ে তাহলে এখান থেকে Instagram কর্তৃপক্ষ কিছু ফান্ড অফার করে যে ফান্ডের মাধ্যমে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন খুব সহজে।

Monetization ইন্সটাগ্রাম থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম পদ্ধতি ০৩

ইনস্টাগ্রাম দিয়ে মোবাইল থেকে টাকা ইনকাম করার শেষ উপায়টি হচ্ছে মনিটাইজেশন। আর ইনস্টাগ্রাম এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় বলে এটি আমি মনে করি কেননা আপনার জিরো ফলোয়ার থাকলেও আপনি Instagram এ মনিটাইজেশন অন করতে পারবেন এবং YouTube এবং Facebook এর মতো এখান থেকে ডলার ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম ২০২৩ ইনস্টাগ্রাম দিয়ে কিভাবে করবেন আশা করি তা বুঝতে পেরেছেন।

মাইক্রোওয়ার্ক সাইট থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি expartjobs

একটি মোবাইল ব্যবহার করে মাইক্রোওয়ার্ক সাইট থেকে প্রতিদিন অল্প অল্প কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়। আপনিও চাইলে ছোট ছোট মাইক্রোওয়ার্ক সাইটগুলো থেকে প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা করে সময় ব্যয় করে ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন। নিচে কিছু পদক্ষেপ বোঝানোর চেষ্টা করা হলো যেগুলো যদি আপনার মাথায় থাকে তাহলে আপনি মাইক্রোওয়ার্ক সাইট গুলোতে ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন।
মাইক্রোওয়ার্ক সাইট থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি expartjobs
  1. সম্মানজনক মাইক্রোওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মগুলি সন্ধান করুন যা মোবাইল-বান্ধব এবং বিভিন্ন ধরণের কাজ অফার করে৷ কিছু জনপ্রিয় বিকল্পের মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন মেকানিক্যাল টার্ক, মাইক্রোওয়ার্কার, ক্লিকওয়ার্কার এবং সোয়াগবাকস।
  2. ওয়েবসাইটটি দেখুন বা আপনার নির্বাচিত মাইক্রোওয়ার্ক সাইটের জন্য অ্যাপটি ডাউনলোড করুন৷ একটি অ্যাকাউন্টের জন্য সাইন আপ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন। আপনার দক্ষতা, আগ্রহ এবং অর্থপ্রদানের পছন্দগুলি সহ আপনার প্রোফাইল সম্পূর্ণ করুন৷
  3. একবার আপনার অ্যাকাউন্ট সেট আপ হয়ে গেলে, প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ কাজগুলি ব্রাউজ করুন৷ মাইক্রোওয়ার্ক কাজগুলি ডেটা এন্ট্রি এবং বিষয়বস্তু সংযম থেকে শুরু করে সমীক্ষা, ট্রান্সক্রিপশন এবং ছোট অনলাইন কাজগুলির মধ্যে থাকতে পারে।
  4. আপনার দক্ষতা এবং আগ্রহের সাথে মেলে এমন কাজগুলি নির্বাচন করুন। নির্দেশাবলী মনোযোগ সহকারে পড়ুন, সঠিকভাবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজগুলি সম্পূর্ণ করুন। আপনার কাজ মান পূরণ করে তা নিশ্চিত করতে যেকোন মানের প্রয়োজনীয়তার দিকে মনোযোগ দিন।
  5. কিছু মাইক্রোওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মের একটি খ্যাতি বা রেটিং সিস্টেম রয়েছে। ইতিবাচক পর্যালোচনা পাওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে উচ্চ-মানের কাজ সরবরাহ করার লক্ষ্য রাখুন। একটি ভাল খ্যাতি থাকা আপনার আরও কাজ পাওয়ার এবং উচ্চ অর্থ প্রদানের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
  6. নিয়মিতভাবে নতুন কাজের জন্য প্ল্যাটফর্মটি পরীক্ষা করুন এবং দ্রুত সেগুলি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করুন। অনেক মাইক্রোওয়ার্ক সাইটে সীমিত টাস্ক স্লট উপলব্ধ রয়েছে, তাই দ্রুত হওয়া আপনাকে আরও সুযোগ সুরক্ষিত করতে সাহায্য করতে পারে।
  7. একবার আপনি মাইক্রোওয়ার্ক সাইটে আয় জমা করলে, প্রত্যাহারের বিকল্প এবং ন্যূনতম পেআউট থ্রেশহোল্ড চেক করুন। পেপ্যাল, সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার, বা উপহার কার্ডের মতো আপনার উপযুক্ত একটি অর্থপ্রদানের পদ্ধতি বেছে নিন এবং আপনি যখন ন্যূনতম থ্রেশহোল্ড পূরণ করেন তখন একটি অর্থপ্রদানের অনুরোধ করুন৷
  8. কিছু মাইক্রোওয়ার্ক সাইট রেফারেল প্রোগ্রাম অফার করে যেখানে আপনি অন্যদেরকে প্ল্যাটফর্মে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। আপনি যদি এমন ব্যক্তিদের চেনেন যারা আগ্রহী হতে পারে, আপনার রেফারেল লিঙ্ক বা কোড শেয়ার করুন এবং তাদের উপার্জনে কমিশন উপার্জন করুন।
  9. মাইক্রোওয়ার্ক সাইটের সাথে সম্পর্কিত প্ল্যাটফর্ম বিজ্ঞপ্তি, নিউজলেটার এবং সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপগুলিতে নজর রাখুন। তারা আপনার উপার্জন সর্বাধিক করার জন্য নতুন কাজ, প্রচার, বা টিপস সম্পর্কে আপডেট প্রদান করতে পারে।
  10. মনে রাখবেন যে মাইক্রোওয়ার্ক সাইটগুলি থেকে উল্লেখযোগ্য আয় উপার্জনের জন্য সাধারণত ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং উত্সর্গের প্রয়োজন হয়। আপনার সময় কার্যকরভাবে পরিচালনা করা এবং আপনার প্রচেষ্টার জন্য যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ প্রদান করে এমন কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য।

ডেলিভারি সার্ভিস এর মাধ্যমে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

বর্তমান সময়ে অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রির যেমন চাহিদা বেড়েছে তেমন সেই প্রোডাক্টগুলি ডিস্ট্রিবিউশন বা ডেলিভারি করার চাহিদা অনেক বেড়েছে। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের সহজ উপায় হচ্ছে ডেলিভারি সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা আয় করা। আপনার কাছে যদি একটি সাইকেল, বা একটি বাইক থাকে এবং হাতে একটা স্মার্ট ফোন থাকে যেটা দিয়ে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করা যায় তাহলে আপনি খুব সহজে ফুড পান্ডা, দারাজ এসব বড় বড় কোম্পানির সাথে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতে পারেন।

তাদের প্রোডাক্টগুলো কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে একটি ভালো রেভিনিউ জেনারেট করতে পারেন। এই সেকশনে ডেলিভারি সার্ভিসের মাধ্যমে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি না কেননা ডেলিভারি কাজ কি কিভাবে করতে হবে তা আমরা সকলেই জানি তাও যদি আপনাদের বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন আমরা আরো তথ্য এই সেকশনে ইমপ্লিমেন্ট করে দেব ইনশাল্লাহ।

Dollarclix survey টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট app

Dollarclix মূলত একটি Survey সাইট যেটি USA বেস কাজ করে থাকে। আপনি এ Dollarclix এর মাধ্যমে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ঘন্টা কাজ করে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন হলেও ২০০ থেকে ৩০০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন অনায়াসে। যদিও Dollarclix কাজ করার জন্য পিসির প্রয়োজন হয় কিন্তু আপনি যদি পিসি কিনতে না পারেন তাহলে মোবাইলকেই ডেস্কটপ ভার্সনে করে কাজ করতে পারবেন। Dollarclix থেকে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় তা জানতে এখানে চাপুন এবং ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে দেখুন। 

এছাড়া Dollarclix চালাতে যে ভিপিএস প্রয়োজন হয় সেটি যদি আপনি নিতে চান তাহলে নিচে যে কন্ট্রাক্ট ডিটেলস গুলো দেওয়া আছে সেই জিমেইলে বা whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করলে আপনি বিস্তারিত আরও জানতে পারবেন।

👍🏿 Facebook Page : https://www.facebook.com/Noben96Y
👍🏿 What'sapp: 01533156950 (Whatsapp) এ মেসেজ করবেন।
👍🏿 ❌দয়াকরে কল করবেন না ❌
👍🏿 ইনশাআল্লাহ্‌ উত্তর পেয়ে যাবেন । 

মোবাইলে লুডু খেলে টাকা ইনকাম। কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়

অনলাইনে লুডু খেলে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় আর হতেই পারে না। জি হ্যাঁ লুডু খেলো টাকা ইনকাম করা যায় আর এটি আমাদের দেশে সম্ভব আর বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ লুডু খেলে টাকা ইনকাম করছে যদিও এই টাকার পরিমাণটা অনেক বেশি না কিন্তু কিছুতো একটা ইনকাম হচ্ছে তাই না তাহলে আপনি কেন করবেন না। 

অনলাইনে লুডু গেম খেলে টাকা ইনকাম করা মূলত এক ধরনের বাজি। এই খেলায় আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করবেন এবং অপরজন যে আপনার সঙ্গে খেলবে সেও কিছু টাকা ইনভেস্ট করবে দুইজনের টাকা এক জায়গায় জমা হবে এবং খেলা শেষে যে বিজয়ী হবে সে টাকাটা বিজয়ী পেয়ে যাবে এইভাবে মূলত অনলাইনে লুডু গেম খেলে টাকা ইনকাম করা হয়। অনলাইনে লুডু গেম খেলে টাকা ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে লুডু খেলে টাকা ইনকাম করবেন এবং কোন অ্যাপ ব্যবহার করবেন বিস্তারিত।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট app লুডু খেলার ক্ষেত্রে আপনি সতর্ক থাকবেন কেননা অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি যখন ডিপোজিট করবেন তখন উইথড্র দেওয়ার সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এজন্য আপনি যখন এসব সাইটে টাকা ইনভেস্ট করবেন সে সাইটগুলো সম্পর্কে আগে ভালোভাবে বিস্তারিত Google অথবা YouTube থেকে জেনে নিবেন তারপরে এখানে টাকা ইনভেস্ট করবেন যাতে আপনার টাকাটা মার না যায় আশা করি বুঝাইতে পেরেছি।

মোবাইলে কুইজ খেলে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট app

মোবাইলে কুইজ খেলে টাকা ইনকাম করার যে প্রক্রিয়াটি সেটি একদম আমাদের হাতের নাগালেই রয়েছে কেননা আমরা বছরে অন্তত দুইবার হলেও এ কাজটি করে থাকি আমাদের এক্সাম হলে। জি হ্যাঁ এক্সামে যখন আমরা বসি তখন নৈবিত্তিক যেভাবে আমাদেরকে উত্তর দিতে হয় ঠিক কুইজ খেলে টাকা ইনকাম করার প্রক্রিয়াটা একই রকমের। 

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের সহজ উপায় কুইজ খেলে আপনি যেভাবে টাকা ইনকাম করবেন তার উপায় হচ্ছে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে এবং সেই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলেই আপনি সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এর চেয়ে আর সহজ উপায় কি আর হতে পারে। তাই আপনি ঘরে নিতান্তই অবসর সময় পার না করে এখনই আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করে কুইজ খেলে টাকা ইনকাম করতে পারেন এবং নিজের পকেট খরচ করে নিতে পারেন।

অনলাইন বেটিং করে টাকা ইনকাম। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার আজকের এই মূল্যবান আর্টিকেলটির সর্বশেষ নাম্বারে আমরা যেটিকে রেখেছি সেটি হচ্ছে অনলাইন বেটিং করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা। বর্তমান সময়ে এই প্রক্রিয়াটি একটি ট্রেন্ড হয়ে গেছে ক্রিকেট খেলায় অনেকেই বাজি ধরে, ফুটবল খেলায় অনেকে বাজি ধরে, ভলিবল খেলে অনেকের বাজি ধরে বাজি ধরার মাধ্যমে যে খেলা খেলে ইনকাম করা হয় সেটাকে অনলাইন ব্যাটিং বলা হয়। 

বাংলাদেশের সেরা বেটিং সাইট গুলো সম্পর্কে জানতে এবং বুঝতে এবং সেই সাইটগুলো থেকে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করবেন তার সমস্ত রিসোর্স আপনি গুগলে অথবা ইউটিউবে পেয়ে যাবেন। সেগুলো দেখে সেখান থেকে কাজগুলো শিখে কিভাবে ব্যাটিংয়ে বাজি ধরতে হয় কোন ব্যাটিং সাইট গুলো সবচেয়ে সেরা সেগুলোতে ইনভেস্ট কিভাবে করে 1xbet একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং কিভাবে ইনকাম করতে হয় তা জেনে নিয়ে এখনই শুরু করে দিতে পারেন আপনার টাকা ইনকামের পথযাত্রা।

শেষ কথাঃ প্রতিমাসে মোবাইল দিয়ে 150$-300$ টাকা ইনকামের ১৫টি উপায়

আশা করি আজকের এই পুরো আর্টিকেলটি আপনি এত ধৈর্য সহকারে পড়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা ইনকাম করতে হয়, মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়, মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার app, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় পেমেন্ট বিকাশে কিভাবে নিবেন কিভাবে ঘরে বসে মোবাইল ফোন দিয়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে হয় আরো অনেক কিছু। এমনই নিত্য নতুন সব খবরা-খবর পাওয়ার জন্য পাশে থাকা বেল বাটনটি প্রেস করে ড্রিম আইটিসিকে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। ধন্যবাদ🥰

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url