এশার নামাজ কয় রাকাত - এশার নামাজের নিয়ত এবং নিয়ম হাদিসসহ

এশার নামাজ কয় রাকাত এটি নিয়ে অনেকেই লেখালেখি করেছেন। বেশির ভাগ মানুষ এশার নামাজ ৯ রাকাত আদায় করে থাকেন। কিন্ত আসলেই এশার নামাজ কি ৯ রাকাত? এটি নিয়ে অনেকেই অনলাইনে খুজাখুজি করছেন। 

এশার নামাজ কয় রাকাত

এশার নামাজ কত রাকাত ও কি কি তা জেনে আপনি সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে পারনে। আজকের আর্টিকেলে থাকছে আপনি এশার নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়বেন, এশার নামাজের শেষ সময় কখন আরো বিস্তারিত তথ্য। 

সূচিপত্রঃ এশার নামাজ কয় রাকাত - এশার নামাজের নিয়ত এবং নিয়ম হাদিসসহ 

এশার নামাজ

আপনার জানা উচিত যে,এশার নামাজ হচ্ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের শেষ ওয়াক্তের নামজ,অনেকেই আছেন যারা সারাদিন কাজ করে, এবং রাত হতে হতে ক্লান্ত হন ও অলস বোধ করেন,এই কারণে অনেকে এশার নামাজ পড়ে না।

কিন্ত যারা  যারা সত্যিকারের মুসলিম, তারা অলসতা ও ক্লান্তির সময়েও সর্বশক্তিমান আল্লাহকে স্মরণ করতে ভুলবেন না, এজন্য হাদিসে এসেছে- 

 عَنْ عُثْمَانِ بْنِ عَفَّانَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمٍ، يَقُولُ: «مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فَمَاعَ فَيَامِ جَمَاعَةِ الْعِشَاءَ فَيْرَ ْفَ اللَّيْلِ

"আন ইউথমান বিন ইফান কালা: সামিয়েতু রাসুল আল্লাহ সাল্লা আল্লাহ ইলাইহ ওয়াসাল্লামা, ইয়াকুলু: “মান সাল্লা সালাতাল ইশা’ ফি জামায়েতিন ফাকা’আন্নামা কামা নিসফ আল্লাইলি।"   

অর্থঃ ওসমান বিন আফফানের  বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি; যে ব্যক্তি এশার সালাত জামাতে আদায় করে, সে যেন অর্ধেক রাত নফল নামজের নেকি পেল।(সহহী মুসলিমঃ৬৫৬) 

এ হাদীস থেকে প্রমান হয় যে, এশার নামায একটি বড় ফজিলত, যাতে অর্ধ রাতের ইবাদতের সওয়াব পাওয়া যায়।

এশার নামাজের শেষ সময় কখন ?

এশার নামাজের মুস্তাহাব সময় মাগরিবের নামাজের শেষ সময়ের পরে শুরু হয়, অর্থাৎ সূর্যাস্ত থেকে রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত এক ঘন্টা পরে, এটি এশার সালাতের সর্বোত্তম সময় বলা হয়, এর পরে মধ্যরাত পর্যন্ত এশার নামাজ পড়া জায়েয আছে। 

এখন আমরা রাত ১২ তারকে এশার নামাজের শেষ সময় বলে থাকি। এশার নামাজের শেষ সময় এর সাথে সাথে তাহাজ্জুদ নামাজের সময় শুরু হয়ে যায়। 

এশার নামাজ কয় রাকাত কি কি? 

এশার নামায মোট ১৭ রাকাত রয়েছে; ৪ রাকাত সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা, ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, ৩ রাতাক বিতর, ২ রাকাত নফল। এশার নামাজ ১৫ রাকাত পড়লেও হয়। আবার অনেকে এশার নামাজ ৯ রাকাত পড়ে থাকেন যা জায়েয আছে। 

এশার নামাজ ১৭ রাকাত কিভাবে পড়তে হয়?

  • তাই প্রথমে ৪ রাকাত সুন্নাত আদায় করুন, মাঝে মাঝে এই সুন্নাত নামজ ছেড়ে দিলে কোন পাপ নেই, আর সুন্নত নামাযের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা মিলিয়ে পড়বেন।
  • এর পর ৪ রাকাত ফরজ, এবং আপনি এটাও সূরা ফাতিহার পর ফরজের প্রথম রাকাতে সূরা মিলিয়ে পড়বেন এবং শেষ দুই রাকাতে শুধু সূরা ফাতিহা পড়বেন।
  • এরপর ২ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা আদায় করতে হবে এবং তা ত্যাগ করা জায়েয নয়, কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো এই সুল্লাত নামাজ বাদ দেননি।
  • তার পর ২ রাকাত নফল নামাজ সুন্নাত নামাজের মতো করেই সূরা মিলিয়ে পরবেন। এই নফল নামাজ না পড়লেও চলে, তবে পড়লে নেকি বেশি।  
  • ৩ রাকাত বিতরের পর ফরজের মতো ছেড়ে দেওয়া যায় না,আর বিতরের প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা মিলিয়ে পড়বেন এবং তৃতীয় রাকাতে রুকুর আগে সূরা পড়ার পর দুআয়ে কুনূত পড়বেন,তারপর রুকু করবেন। এবং সাজদাইয় জাবেন তারপর সালাম করুন।
  • ৩ রাকাত বিতরের নামাজের পর আবার ২ রাকাত নফল নামাজ পরবেন। আপনি চাইলে নফল বাদ দিতে পারেন এতে কোন গুন্নাহ নেয়। 

এশার সুন্নাত কত রাকাত?

আমরা আগেও জেনেছি যে এশার নামাজ ১৭ রাকাত মোট। এই ১৭ রাকাত নামজের মধ্যে ৪ রাকাত সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা ও ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা দিয়ে মোট এশার সুন্নাত ৬ রাকাত।  এশার নামাজ ৯ রাকাত পরতে প্রথমে ৪ রাকাত ফরজ এরপর ২ রাকাত সুন্নাত এবং ৩ রাকাত বিতর নামজ পড়ে নামাজ শেষ হয় করতে । 

এশার নামাজের নিয়ত কি ? 

এশার নামাজের নিয়ত আরবী উচ্চারণসহ নিচে দেওয়া হলো-

এশার নামাজের নিয়ত ৪ রাকাত সুন্নাত

 نَوَايْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَالَى اَرْبَعَ رَكَعَاتِ صَلَوةِ الْعِشَاءِ سُنَّةُ رَسُوْلِ جَبَهِهِ تَعَالَى مُتَوَاِجِهِ تَعَالَى مُتَوَلَى اللَّهِ تَعَالَى الشَّرِيْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ
 
উচ্চারণঃ "নাওয়ায়াতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তালা আরবা রাকাতি সালাতিল ইশাই সুন্নাতু রাসুল্লাহি তাআলা মুতাউয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার"

এশার নামাজের নিয়ত ৪ রাকাত ফরজ 

 نَوَايْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَالَى اَرْبَعَ رَكَعَاتِ صَلَوةِ الْعِشَاءِ فَرْضُ اللَّهِ تَعَالَى مُتَوَجِّهًا جِفَيْةِ الْفَيْةِ مُتَوَجِّهًا جِلَهًا اِلَةِ ةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

উচ্চারণঃ "নাওয়াইয়াতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তালা আরবা রাকাতি সালাতিল ইশাই ফারাদুল্লাহি তাআলা মুতাউয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার"

এশার নামাজের নিয়ত ২ রাকাত সুন্নাত 

 نَوَايْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَالَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْعِشَاءِ سُنَّةُ رَسُوْلِ اللَّهِ تَعَالَى مُتَوَجِّهِ جَعَيْةِ الْحَيْةِ مُتَوَجِّهًا اِلَّهِ فَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

উচ্চারণঃ"নাওয়ায়াতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তালা রাকাতাই সালাতিল ইশাইয়ে সুন্নাতু রাসুল্লাহি তাআলা মুতাউয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার"

এশার নামাজের নিয়ত ২ রাকাত নফল

 نَوَايْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَالَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ النَّفْلِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْلَفَلَفَةُ

উচ্চারণঃ"নাওয়ায়াতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তালা রাকাতাই সালাতিন নাফলী মুতাউআযিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার"

এশার নামাজের নিয়ত বাংলায়

এশার নামাজের নিয়ত যারা আরবীতে বলতে পারেনা তাদের জন্য এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় নিয়ে আসছি-
  • এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় ৪ রাকাত সুন্নাতের জন্যঃ"আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের চার রাকাত সুন্নাত আদায় করার ইচ্ছা করছি"।
  • এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় ৪ রাকাত ফরজের জন্যঃ "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ আদায় করার ইচ্ছা করছি"। 
  • এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় ২ রাকাত সুন্নাতের জন্যঃ"আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের ২ রাকাত সুন্নাত আদায় করার ইচ্ছা করছি"।
  • এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় ২ রাকাত নফলের জন্যঃ"আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের ২ রাকাত নফল আদায় করার ইচ্ছা করছি"।
  • এশার নামাজের নিয়ত বাংলায় ৩ রাকাত বিতরের জন্যঃ "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য বিতর নামাজের ৩ রাকাত ওয়াজিব আদায় করার ইচ্ছা করছি"
একই ভাবে বাকি নফল ও সুন্নাত নামাজের বাংলা নিয়ত করতে হবে। 

এশার নামাজের বিতরের নিয়ত

এশার নামাজের নিয়ত ৩ রাকাত বিতর ওয়াজিব 

 نَوَايْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَالَى ثََلَثَ رَكَعَاتِ صَلَوةِ الْوِتْرِِ وَاجِبُ اللَّهِ تَعَالَى مُتَوَجِّهًا جَعَكَيْةِ جَلَيْةِ اِلْهِ َةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

উচ্চারণঃ"নাওয়ায়াতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তালা সালাসা রাকাতি সালাতিল বিতরী ওয়াজিবুল্লাহি তালা মুতাউয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শরিফতি, আল্লাহু আকবার"

এশার নামাজের বিতরের নিয়ত বাংলা

"আমি কেবলার দিকে মুখ করে বিতরের ৩ রাকাত আল্লাহ তায়ালার ওয়াজিব নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে শুরু করলাম, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ"। 

এশার নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয় | এশার নামাজের নিয়ম কি ? 

এশার নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয় তা আপনার ইতিমধ্যে জেনে গেছেন। আসুন আপনাদেরকে আজ  এশার নামাজের নিয়ম কি ? তা বিস্তারিত ব্যাখা করা হলো-

এশার নামাজের ৪ রাকাত সুন্নাতের নিয়ম কি ?

১ম রাকাত সুন্নাত নামজ পড়ার নিয়ম- 

  • প্রথমে নিয়ত "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের চার রাকাত সুন্নাত আদায় করার ইচ্ছা করছি" বলে নিয়ত করতে হবে।
  • এর পর আপনাকে তাকবীর "আল্লাহু আকবার" বলে নামজ শুরু করতে হবে।
  • "সুবহানাকা" বা সানা পাঠ শুরু করতে হবে। 
  • তারপর; "আউদু বিল্লাহি মিন-আশ-শাইতা-নির-রাজিম বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"বলে সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা অব্যশক। 
  • এবং কুরআনের আরেকটি সূরা মিলাতে হবে।
  • রুকুতে যান এবং আপনাকে বলতে হবে "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"। 
  • রুকু থেকে উঠে "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"।
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)।
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
২য় রাকাত সুন্নাত নামজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • এখন আবার বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা হলে কুরআনের আরেকটি সূরা মিলান।
  • আবার রুকুতে যান এবং বলতে হবে "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"। 
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে একই "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পর আপনি তাশশাহুদে বসবেন ও আপনি শুধু আত-তাহিয়্যাত পাঠ করে উঠে দারাবে। 
৩য় রাকাত সুন্নাত নামজ পড়ার নিয়ম- 
  • আবার "সুবহানাকা" শুরু করতে হবে।
  • এরপর; "আউদু বিল্লাহি মিন-আশ-শাইতা-নির-রাজিম বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম" সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করতে হবে ও কুরআনের আরেকটি সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে।
  • রুকুতে যান এবং আপনি বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলবেন। 
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন। 
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি আবার  ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
৪র্থ রাকাত সুন্নাত নামজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি পুনরায় বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করুন।
  • ও কুরআনের অন্য সূরা মিলিয়ে পড়ুন।
  • রুকুতে যান এবং ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন। 
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পরে, আপনি সম্পূর্ণ তাশশাহুদের জন্য বসবেন; আপনি আত-তাহিয়্যাত, দরুদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করবেন।
  • প্রথমে ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বলুন এবং তারপর বাম দিকে করুন মুখ  ফিরিয়ে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ"বলে নামাজ শেষ করুন।  

এশার নামাজের ৪ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ম কি ?

১ম রাকাত ফরজ নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • প্রথমে "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ আদায় করার ইচ্ছা করছি" পাঠ করে নিয়্ত করুন।
  • আপনি তাকবীর "আল্লাহু আকবার" বলুন এতে নামাজ শুরু হয়।
  • "সুবহানাকা" বা সানা পাঠ শুরু করুন
  • সানা পাঠ করার পর; "আউদু বিল্লাহি মিন-আশ-শাইতা-নির-রাজিম বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম" পড়ুন।
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করে কুরআনের আরেকটি সূরা মিলান।
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন।
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
২য় রাকাত ফরজ নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা কুরআনের যেকোন সূরা মিলান।
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন। 
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পর আপনি তাশশাহুদের জন্য বসুন এবং আপনি শুধু আত-তাহিয়্যাত পাঠ করুন। 
৩য় রাকাত ফরজ নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা এহ্মেত্রে কোন সূরা আর মিলানো লাগবে না। 
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন।
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
৪র্থ রাকাত ফরজ নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • শুধু সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করেন। 
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পরে, আপনি সম্পূর্ণ তাশশাহুদের জন্য বসবেন; আপনি আত-তাহিয়্যাত, দরুদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করবেন।
  • প্রথমে ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বলুন এবং তারপর বাম দিকে ঘুরে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বলে নামাজ শেষ করুন। 

এশার নামাজের ২ রাকাত সুন্নাত নামাজের নিয়ম কি ?

১ম রাকাত সুন্নাত নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • প্রথমে "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য এশার নামাজের ২ রাকাত সুন্নাত আদায় করার ইচ্ছা করছি" পাঠ করে নিয়ত করুন।
  • আপনি তাকবীর "আল্লাহু আকবার" বলে নামাজ শুরু করুন।
  • সানা "সুবহানাকা" পাঠ শুরু করুন
  • এরপর "আউদু বিল্লাহি মিন-আশ-শাইতা-নির-রাজিম বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা হলে কুরআনের  যেকোন সূরা মিলান।
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)। 
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩বার  বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।

২য় রাকাত সুন্নাত নামাজ পড়ার নিয়ম-
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা।
  • কুরআনের আরেকটি সূরা পড়া।
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পরে, আপনি সম্পূর্ণ তাশশাহুদের জন্য বসবেন: আপনি আত-তাহিয়্যাত, দরুদ শারীফ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করবেন।
  • প্রথমে ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বলুন এবং তারপর বাম দিকেও একই ভাবে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন। 

এশার নামাজের ৩ রাকাত বিতর নামাজের নিয়ম কি ?

১ম রাকাত বিতর নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • প্রথমে "আমি কেবলার দিকে মুখ করে আল্লাহর জন্য বিতর নামাজের ৩ রাকাত ওয়াজিব আদায় করার ইচ্ছা করছি" পাঠ করে নিয়ত করুন।
  • আপনি তাকবীর "আল্লাহু আকবার" বলে নামাজ শুরু করুন।
  • সানা "সুবহানাকা" পাঠ শুরু করুন
  • এরপর "আউদু বিল্লাহি মিন-আশ-শাইতা-নির-রাজিম বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা হলে কুরআনের  যেকোন সূরা মিলান।
  • রুকুতে যান এবং আপনি ৩বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩ বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)। 
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩বার  বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
২য় রাকাত বিতর নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • এখন আবার বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা হলে কুরআনের আরেকটি সূরা মিলান।
  • আবার রুকুতে যান এবং বলতে হবে "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"। 
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে একই "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পর আপনি তাশশাহুদে বসবেন ও আপনি শুধু আত-তাহিয়্যাত পাঠ করে উঠে দারাবে।
৩য় রাকাত বিতর নামাজ পড়ার নিয়ম- 
  • পরবর্তী রাকাআতে যাওয়ার জন্য উঠুন,
  • আপনি বলুন "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম"
  • সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করা।
  • কুরআনের আরেকটি সূরা পড়া।
  • এরপর হাত ছেড়ে দিয়ে আবার তাকবীর "আল্লাহু আকবর" বলে হাত বাধতে হবে।
  • তারপর "বিসমিল্লাহ-ইর-রহমান-ইর-রহীম" বলে দোয়া কুনুত পাঠ করতে হবে। 
  • এবং রুকুতে যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবাহানা রাব্বিয়াল আজিম"
  • "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং নিচু স্বরে "রাব্বানা লাকাল হামদ" বলুন।
  • ১ম সেজদায় গিয়ে আপনি ৩বার বলবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা"
  • এবার প্রথম সেজদা থেকে জলসা অবস্থায় বসুন (দুই সাজদার মাঝখানে বসার অবস্থান)
  • এখন ২য় সেজদায় যান এবং আপনি ৩ বার বলুন "সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা"।
  • এর পরে, আপনি সম্পূর্ণ তাশশাহুদের জন্য বসবেন: আপনি আত-তাহিয়্যাত, দরুদ শারীফ ও দোয়া মাসুরা পাঠ করবেন।
  • প্রথমে ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বলুন এবং তারপর বাম দিকেও একই ভাবে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন। 

এশার নামাজ পড়ার বিস্তারিত নিয়ম দেখুন ভিডিওতে

এশার নামাজের ফজিলত ও হাদিস 

উসমান (রাঃ) বর্ণনা করেন যে নবী (সাঃ) বলেছেন;"যে ব্যক্তি জামাআতে এশার নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত ইবাদতে কাটাল। আর যে ব্যক্তি জামাআতে ফজরের সালাত আদায় করল, সে যেন সারা রাত ইবাদতে কাটিয়ে দিল।"(মুসলিম)

এশার নামাযের এত উচ্চ মর্যাদা যে একজন ব্যক্তি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ইবাদতে অর্ধেক রাত কাটানোর সমান সওয়াব পায়। 

আবু কাতাদাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ"ঘুমানোর মধ্যে কোন অবহেলা নেই, তবে অবহেলা হল পরবর্তী সালাতের সময় না আসা পর্যন্ত নামায না পড়া।  আর যে ব্যক্তি তা করে, সে যেন অবহেলা সম্পর্কে অবগত হওয়ার সাথে সাথে সালাত আদায় করে।"  (মুসলিম)

এ কারণেই অনেক আলেম ফজর পর্যন্ত রাতের নামায পড়ার পক্ষে কথা বলেছেন, তবে আবু হুররাহ (রাঃ) বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীস অনুসারে এশার জন্য উপযুক্ত সময় রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত থাকে;
"যদি এটা উম্মতের জন্য কষ্ট না হতো, তাহলে আমি তাদেরকে রাতের এক তৃতীয়াংশ বা অর্ধেক পার হওয়া পর্যন্ত এশার নামাজ পড়ার নির্দেশ দিতাম।"  (তিরমিযী)


যেহেতু, একজন ব্যক্তি সাধারণত রাতে ক্লান্ত বোধ করেন, তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই ফরজ ইবাদত পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ পরে ঘুম থেকে উঠতে অসুবিধা হয় এবং নামাজের সময়গুলোর খেয়াল থাকেনা,যার কারনে নামাজ মিস হয়ে যায়।

এশার নামাজের ফজিলত

  • এশার নামায পড়লে অর্ধেক রাত আল্লাহর ইবাদত করার সওয়াব দিবেন।  এটা আপনার জন্য একটি মহান রহ্মত। তাই এশার নামাজ যেন কখনো মিস না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
  • এশার নামাযের পর বেশি বেশি দুআ করার চেষ্টা করুন, আল্লাহ দোয়া শুনবেন এবং আপনার উপর বরকত বর্ষণ করবেন।
  • আপনি যদি ঘুমানোর আগে নামায পড়েন তবে আপনার রাতটি আরও শান্তিপূর্ণ হবে। তাই এশার নামাজ নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করুন।

এশার নামাজ কি পড়তে হয়? 

এশার নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত একই ফরজ নামাজ যা আদায় করা ফরজ তাই অবশ্যয়  এশার নামাজ পড়তে হবে। 

নামাজ কত প্রকার ও কি কি?

নামাজ এর কোন প্রকার হয় না তবে নামজ ৫ ওয়াক্ত আদায় করতে হয়। যার মধ্যে ভাগ রয়েছে যেমন; ফরজ নামাজ,সুন্নাত নামজ, নফল নামজ এবং ওয়াজিব নামাজ। 

এশার নামাযে কোন সূরা পড়তে হয়? 

আপনি যদি সূরা আল-তারিক এবং সূরা আল-বাইয়্যিনাহ এর মধ্যে যেকোন সূরা পড়েন তাহলে তা উত্তম, এটি ইশার নামায পড়ার সময় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়তেন।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কত রাকাত সুন্নত?

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সুন্নত মোট ১৬ রাকাত; ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত, যোহরের ৬ রাকাত, মাগরীবের ২ রাকাত এবং এশারের ৬ রাকাত সুন্নাত নামজ। 

সূরা মুলক কখন পড়তে হয়?  

এশার নামাজের পর সূরা মুলক পাঠ করা হয়। 

শেষকথাঃ এশার নামাজ কয় রাকাত - এশার নামাজের নিয়ত এবং নিয়ম হাদিসসহ 

প্রতিটি নামাজের সময় শেষে পরের নামজের ওয়াক্ত শুরুর হয়,সকালের বা ফজর নামাজ ব্যতীত যা কেবল ভোরের সময় পর্যন্তই ওয়াক্ত থাকে। 


"হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন, এশার নামাজের আদর্শ সময় রয়েছে মধ্যরাত পর্যন্ত, তবে যারা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন এবং ফজর শুরু পর্যন্ত এই নামাজ আদায় করতে পারেন তাদের জন্য তা জায়েয রয়েছে, তবে এটি মাখরুহ হিসাবে বিবেচিত হয় তবুও নিষিদ্ধ নয়।"

এশার নামায আদায় করা কঠিন তাই এটি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছ থেকে অনেক ফজিলত রয়েছে। আশা করি আমাদের আর্টিকেল পড়ে আপনি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। এই ধরনের আরো তথ্য পেতে ড্রিমআইটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।  😊 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url