সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা বিভাগ ও আসন ২০২৪

আপনি কি সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা খুঁজছেন? তবে আপনি সঠিক স্থানেই এসেছেন। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হচ্ছে মূলত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বা কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োগ ঘটে।

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বা পলিটেকনিক কলেজ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে পলিটেকনিক কলেজ বা ইনস্টিটিউট রয়েছে। আজ আমরা জানবো বাংলাদেশের কোথায় কোন পলিটেকনিক কলেজ রয়েছে এবং এর আসন সংখ্যা কতটি করে রয়েছে।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা

আশা করি আর্টিকেলটি পেজটি পড়বেন এতে করে আপনার বাংলাদেশের সকল পলিটেকনিক কলেজ সমূহের নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা সহ কলেজ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা ও বিস্তারিত।

ভূমিকা।

আপনারা সবাই জানেন যে, এই পলিটেকনিক কলেজের মাধ্যমে ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা শিক্ষাকে ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করার সুযোগ। 

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ বাছাইকৃত (১০০+) পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান PDF ও প্রশ্নোত্তর MCQ

এই সুযোগকে বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশের অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হতে চায়। এ জন্য দরকার হবে এসএসসি, ভোকেশনাল, দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় গণিত এবং উচ্চতর গণিতসহ ন্যূনতম জিপিএ  ৩.৫ উত্তীর্ণ হওয়া। 

পেজ সূচিপত্রঃ সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা বিভাগ ও আসন ২০২৪

কারা সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হতে পারে

সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলোতে এসএসসি এবং সমমান পাস কৃত শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারে। অনেকেই জানেন না বাংলাদেশে কয়টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে এবং তার আসন সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ভর্তি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন না। 

বাংলাদেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর কার্যক্রম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রয়োগ ঘটে থাকে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বেশ কিছু শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। 

উল্লেখযোগ্য কিছু শিক্ষাক্রম হচ্ছে ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি, ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি। এছাড়া রয়েছে এস এস সি(ভোকেশনাল) ও এইচ এস সি(ভোকেশনাল)।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা

বাংলাদেশে বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। আপনি যদি এই সকল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চান তাহলে নিচের সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকাটিকে অনুসরণ করুন -

‌১. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার কাজী জাকির হোসেন এটি তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকায় অবস্থিত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১১টি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • কম্পিউটার। 
  • ইলেকট্রিক্যাল।
  • সিভিল।
  • আর্কিটেকচার। 
  • মেকানিক্যাল।
  • কেমিক্যাল।
  • অটোমোবাইল।
  • রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং।

  • ইলেকট্রনিক্স।
  • এনভায়রনমেন্ট।
  • বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিবিদ্যা।

মোট আসন সংখা।

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ১৩৫০টি আসন রয়েছে।

‌২. চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে অবস্থিত। চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর বর্তমান অধ্যক্ষ জনাব স্বপন কুমার নাথ। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • ইলেকট্রিক্যাল।
  • পাওয়ার। সিভিল।
  • ইলেকট্রনিক্স। 
  • মেকানিক্যাল।
  • কম্পিউটার।
  • এনভারমেন্ট।

মোট আসন সংখা।

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৬৫০টি আসন রয়েছে।

‌৩. কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি কোটবাড়ি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ রকিব উল্লাহ। এটি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মোট পাঁচটি বিষয়ে বর্তমানে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • কম্পিউটার টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি।
  • যন্ত্র টেকনোলজি।
  • সিভিল টেকনোলজি। 

মোট আসন সংখা।

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৫০০টি আসন রয়েছে।

‌৪. বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি আলেকান্দা, বরিশালে অবস্থিত। ১৯৬২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর প্রধান শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রুহুল আমিন। বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে প্রায় ছয় হাজারের  বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে মোট আটটি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ 

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ পড়াশুনা বা জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি অর্থ উপার্জন ও সঞ্চয় খরচ ব্যবস্থাপনা।

  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট অনুষদ।
  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেক্ট্রো মেডিকেল। 

মোট আসন সংখা।

বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৫০০টি আসন রয়েছে।

‌৫. সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি টেকনিক্যাল রোড, বড়ইকান্দি, সিলেটে অবস্থিত। যার সংক্ষিপ্ত নাম (SPI)। সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইকবাল চৌধুরী। সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বর্তমানে মোট সাতটি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • কম্পিউটার।
  • ইলেকট্রনিক্স।
  • ইলেকট্রিক্যাল।
  • মেকানিক্যাল।
  • সিভিল।
  • পাওয়ার।
  • ইলেক্ট্রো মেডিকেল। 

মোট আসন সংখা।

সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৬৫০ টি আসন রয়েছে।

‌৬. পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি গাংকোলা, পাবনা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ আতিকুর রহমান। পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বর্তমানে মোট নয়টি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • পাওয়ার টেকনোলজি।
  • কম্পিউটার টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি।
  • সিভিল টেকনোলজি।
  • এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি।
  • মেকানিক্যাল টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি।
  • কনস্ট্রাকশন টেকনোলজি।
  • এয়ারকন্ডিশনিং অ্যান্ড রেফ্রিজারেশন টেকনোলজি। 

মোট আসন সংখা।

পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৮৫০টি আসন রয়েছে।

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ বুয়েটে ভর্তির যোগ্যতা - বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার সিলেকশন পদ্ধতি ২০২৪

‌৭. বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি শেরপুর রোড, বগুড়া জেলায় অবস্থিত। বর্তমানে এই ইনস্টিটিউটে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্বরত আছেন। তার নাম মোঃ জয়নাল আবেদীন। বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বর্তমানে মোট নয়টি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • সিভিল টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি।
  • মেকানিক্যাল টেকনোলজি।
  • পাওয়ার টেকনোলজি।
  • ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি।
  • কম্পিউটার টেকনোলজি।
  • রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং টেকনোলজি।
  • মাইনিং এন্ড মাইন্ড সারভে টেকনোলজি।
  •  পর্যটন এবং আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা। 

মোট আসন সংখা।

বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৬০০টি আসন রয়েছে।

‌৮. রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি জুম্মাপারা, রংপুরে অবস্থিত। ১৮৮২ ইং সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ খালেদ হোসেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে মোট সাতটি বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ 

  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেক্ট্র মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেকট্রন ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

মোট আসন সংখা।

রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৬৫০টি আসন রয়েছে। 

‌৯. রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি সপুরা, রাজশাহীতে অবস্থিত। উক্ত প্রতিষ্ঠান টির বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রশিদ মল্লিক। প্রতিষ্ঠান দিতে বর্তমানে মোট আটটি বিষয়ের ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ বিনামুল্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সেরা  সফটওয়্যার বা অ্যাপ 

  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং। 
  • ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেক্ট্রো মেডিকেল টেকনোলজি।
  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং। 

মোট আসন সংখা।

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৫৫০টি আসন রয়েছে। 

‌১০. ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

এটি বায়তুল আমান, ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আখতারুজ্জামান। ছয়টি বিষয়ের উপর বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এই ইনস্টিটিউট বিষয় গুলি হচ্ছেঃ

  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং।
  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

মোট আসন সংখা।

ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সর্বমোট ৬০০টি আসন রয়েছে। 

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ বুয়েটের সেরা সাবজেক্ট কোনটি - বুয়েট সাবজেক্ট লিস্ট গুলো দেখুন

বিখ্যাত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তালিকা।

উপরে উল্লেখিত বাংলাদেশের সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা ছাড়াও বেশ কিছু বিখ্যাত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। তার তালিকা নিচে আলাদাভাবে দেওয়া হল:

  • গ্রাফিক্স আর্ট ইনস্টিটিউট।
  • বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট।
  • ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট।
  • খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ।
  • ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • হবিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  •  চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • মুন্সিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • মৌলভীবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • চট্টগ্রাম মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী - কিভাবে লিখবেন দরখাস্ত বা আবেদনপত্র 
  • বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
  • বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ গ্লাস এন্ড সিরামিক্স।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হবেন কেন?

বর্তমান সময়ে বাস্তব বা কর্মমুখী শিক্ষার উপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চাইতে কর্মমুখী শিক্ষা বর্তমানে অধিকতর গ্রহণযোগ্য। শুধুমাত্র শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা বর্তমান সময়ে কঠিন। তাই কারিগরি শিক্ষা সকলের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে পড়ালেখার মান কেমন?

বর্তমানে সরকারি পলিটেকনিক কলেজে পড়ালেখার মান অনেক ভালো। রয়েছে উন্নত শিক্ষার ব্যবস্থা। এবং খরচে তুলনামূলক কম। উপরে উল্লেখিত সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকার প্রতিটি কলেজ বেশ বিখ্যাত।

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ ইন্টারনেটে অনলাইন টাকা ইনকাম করার ১০ টি নিশ্চিত উপায়

সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়ার সুবিধা কি?

বর্তমানে সরকারি প্রচেষ্টায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলো শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বদা কাজ চলছে। স্বল্প ব্যয় কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের সবচাইতে উপযুক্ত স্থান হচ্ছে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ। তাই সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সবার পড়া উচিত।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তি হব কি করে?

উপরে যে সমস্ত সরকারি কলেজের নাম প্রদান করা হয়েছে, সে সমস্ত কলেজের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যে কেউ ভর্তি হতে পারবেন।

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে বাৎসরিক জন্য যা যা দরকার। 

সরকারি পলিটেকনিক কলেজে বাৎসরিক ভিত্তিতে নিন্ম বর্ণিত অর্থের প্রয়োজন হবেঃ 

💢 প্রতি সেমিস্টারের জন্য বই এবং স্টেশনারী ক্রয় করা (এ জন্য আপনার প্রয়োজন হতে পারে আনুমানিক ২,০০০-৩,০০০ টাকার মতো)। 

💢 জব শিট তৈরি করার জন্য সেমিস্টার প্রতি খরচ (৫০০ থেকে ১০০০ টাকা)। 

💢 থাকা-খাওয়ার খরচ হবে।  

💢 এছাড়াও আরও অনন্য খরচ হতে পারে 

সর্বোপরিঃ সরকারি পলিটেকনিক কলেজের তালিকা বিভাগ ও আসন ২০২৪

বলা যায় বর্তমানে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। কারণ বর্তমান প্রতিযোগিতার বিশ্বে কারিগরি দক্ষতা ছাড়া প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। আমি আশা করছি এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশের সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বা কলেজ সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণ ধারণা পেয়েছেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আপনি চাইলে পড়তে পারেনঃ বাংলাদেশের সেরা বেটিং সাইট  | অনলাইনে জুয়া খেলার সাইট [update 2023]

সম্মানিত পাঠকগণ! আমাদের এই ক্ষুদ্র পরিসরে লেখাটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে বা এখান থেকে সামান্য কিছু উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রিয়জনদেরকে শেয়ার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলের সহায় হোক (আমিন)। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url